আমরা সোনালী ব্যাংক রুমা শাখাটি পরিদর্শন করেছি। ব্যাংকের ভোল্ট এখনো খোলা হয়নি। যেহেতু ভোল্ট খোলার একটি প্রসেডিউর রয়েছে সেহেতু এটা সিআইডি বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরা দেখবে। তাছাড়া ব্যাংক উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভির ফুটেজ আমরা নেওয়ার চেস্টা করছি। আপাতত ডিভিআরগুলো রুমা থানায় সংরক্ষিত রয়েছে।
আজ সকালে বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন রুমা সোনালী ব্যাংক পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন। এসময় সাথে ছিলেন বান্দরবান পুলিশ সুপার সৈকত সাহিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুমা সার্কেল মো. জুনায়েদ।
এদিকে বান্দরবানের রুমা উপজেলায় প্রশাসন ভবনে হামলা ও ব্যাংক লুটের ঘটনার প্রায় ১৭ ঘণ্টা পরও অপহৃত সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার মো. নিজাম উদ্দিনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধারের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সুত্র’।
গতকাল রাত ৯টার দিকে রুমা উপজেলা প্রশাসন ভবনে হামলা চালায় সশস্ত্র ব্যক্তিরা। পরে সোনালি ব্যাংকের শাখায় হামলা চালানো হয়। সে সময় ব্যাংকের ম্যানেজারকে অপহরণ করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। পার্বত্য অঞ্চলভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) সদস্যরা এ হামলায় অংশ নেয় বলে রুমার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিদারুল আলম গণমাধ্যমকে জানান।
সন্ত্রাসীরা ব্যাংকের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর (পুলিশ ও আনসার ভিডিপির) অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করেছে। তারা পুলিশের দুটি এসএমজি ও ৬০ রাউন্ড গুলি, আটটি চীনা রাইফেল ও ৩২০ রাউন্ড গুলি ও আনসারের চারটি শর্টগান ও ৩৫ রাউন্ড গুলি লুট করে। তবে সোনালী ব্যাংকের ভোল্ট থেকে কোন টাকা লুট হয়েছে কিনা এ ব্যাপারে কোন সত্যাতা পাওয়া যায়নি
তবে ধারনা করা হচ্ছে ব্যাংকের ভোল্ট ভাংতে না পারায় মুলতঃ মুক্তিপণের জন্য ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণ করা হয়েছে। সন্ত্রাসীরা পাহাড়ে নতুন সন্ত্রাসী সংগঠন কুকি-চিনের সদস্য বলে ধারণা করছেন উপজেলার এই কর্মকর্তা।