নানা জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ৬ষ্ট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪র্থ ধাপে বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আজ সকাল ৮ ঘটিকায় শুরু হয়ে বিকাল ৪ ঘটিকায় শেষ হয়।
নির্বাচন চলাকালীন সময়ে দুই প্রার্থীর চেয়ারম্যান সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। ছনুয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড খুদুকখালী নয়াপাড়া সাইক্লোন সেল্টার কেন্দ্রে আহমদ উল্লাহর সাথে হাতাহাতি হয়েছে অন্য দিকে গন্ডামারা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড মোহাম্মদ ইউনুসকে আনারসে ভোট দেয়ায় পুরো শরীরের ইট দিয়ে ব্যাপক আঘাত করেছে বলে জানা যায়।
আহত ইউনুসকে প্রথমে মুমূর্ষ অবস্থায় বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার থাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
সকাল ৮ টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে শান্তি পূর্ণ ভাবে ১২ টা পযর্ন্থ সুষ্ঠু হয়ে ভাবে হয় ১২ টা থেকে বেলা ২ টা পয়র্ন্ত দুই ইউনিয়নে পৃথক ঘটনা ঘটে। পরে উক্ত এলাকাগুলোয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা বেড়েছে বলে ও জানা যায়। ধারণা করা যাচ্ছে পুরো উপজেলা ১৫ থেকে ২০শতাংশ ভোট কাষ্ট হয়। তবে কোন ভোট দিতে এসে দীর্ঘ লাইন ও আমেজ চোখে পড়ে নাই।
বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোট ১৪ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে প্রচার প্রচারণায় অসুস্থ হয়ে গত ২৬ মে রাতে চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতিকের জহিরুল হক মার্শাল নির্বাচন থেকে সরে যায়।
এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে খোরশেদ আলম দোয়াত কলম প্রতীকে ৬১,৫১১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহাম্মদ এমরানুল হক আনসার প্রতিকে পেয়েছেন ২১,৯৮৯ ভোট।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোহাম্মদ হোসাইন বই প্রতীকে ২১,২১১ ভোট জয়ী হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন মো: আক্তার হোসাইন তালা প্রতিকে ১৬,২৬৭ ভোট।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নূরী মন আক্তার ফুটবল প্রতীকে ৪৫,১৩০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রেহেনা আক্তার কাজমী কলসী প্রতিকে পেয়েছেন ১৯,৫৬০ ভোট।