আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি বান্দরবান :
পার্বত্য বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নে বিভিন্ন ওয়ার্ডের রোজাদারদের জন্য ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছেন চট্টগ্রামের আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন।
শনিবার (৬ এপ্রিল ) বিকালে নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী মডেল নূরানী এবতেদায়ী মাদ্রাসার হলরুমে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১০০ টি পরিবারের মাঝে ইদ সামগ্রী
বিতরণ করা হয়। ঈদ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাউল, মশুর ডালও তৈল।
বাইশারী মডেল নূরানী এবতেদায়ী মাদ্রাসার সভাপতি ও আলহাজ্ব সামশুল হক ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ আব্দুর রশিদের পরিচালনায় মাদ্রাসা সুপার মাওলানা হাফেজ আহসান হাবিবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আবদুল হামদ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি ছব্বির আহমেদ, শামশুল আলম, নুরুল আলম সাংবাদিক মোঃ শাহীন সাংবাদিক হাবিবুর রহমান রনি, মাওলানা আবু সালাম মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ ইসমাইল মাওলানা সৈয়দ নূর মাওলানা হামিদুল হক প্রমুখ।
এসময় মুঠোফোনে আলহাজ্ব শামশুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, বলেন, মানব সেবায় পিতার দেয়া হাতে কলমে প্রশিক্ষণের ফলে ও অসহায় মানুষগুলোর দুঃখ দেখে প্রতিনিয়ত মর্ম পীড়ায় তিনি ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করেন প্রত্যন্ত অঞ্চলে। মানুষকে সহযোগিতা করার সুযোগ পেলে অন্তরে অনুভব করেন প্রশান্তি। আর এটাই আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রার অন্যতম উৎসাহ। ফলশ্রুতিতে অল্প সময়ের মধ্যেই মহান রবের দয়ায় শুভানুধ্যায়ীগণের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম , ককসবাজার রোহিংগা ক্যাম্প, কুড়িগ্রাম সহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ বিতরণ, গৃহ নির্মাণ, স্যানিটেশন, সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণ, বিভিন্ন মেডিকেল ক্যাম্প ও মহিলাদের জন্য শিক্ষা ও আত্মকর্মসংস্থানের বিভিন্ন প্রজেক্টে লাখো মানুষের সেবা করার সুযোগ হয়েছে। যার পুরো অবদান শ্রদ্ধেয় পিতার দোয়া ও মানবদরদী শুভাকাঙ্ক্ষীগণের সম্মিলিত কৃতিত্ব।
তিনি আরও বলেন, দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের শুরু থেকে এই পর্যন্ত আলহাজ্ব শামশুল হক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পার্বত্য এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে আসছেন এবং দেশের বাহিরেও তুরস্কের ভূমিকম্পে হতাহতদের মাঝে প্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশের ‘মেহমানখানা’ ইসরাইল-হামাস যুদ্ধে ইহুদী সেনাদের দ্বারা গাজায় নির্যাতিত অসহায় ফিলিস্তিনি মুসলমানদের খাদ্য, চিকিৎসা ও দাফনের কাপড় সহ নানান কর্মসূচি করে আসছেন তারই ধারাবাহিকতায় পবিত্র মাহে রমজানে পার্বত্য এলাকায় রোজাদারা যাহাতে সুন্দর করে ইফতার করতে পারেন এবং রোজা রাখতে পারেন তাহাদের জন্য এই ঈদ সামগ্রী ভবিষ্যতে আরও বিশাল আকারে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আবদুর রশিদ বলেন চট্টগ্রামের এক নীরব দানবীর। ইয়াতীম অসহায়দের প্রতি ভালবাসায় যার অন্তর ছিল পরিপূর্ণ। বহু স্কুল, মাদ্রাসা মসজিদের প্রাণ প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব মুহাম্মদ শামসুল হক। নিরলস এই সমাজ সেবকের নামেই নামকরণ করা হয় “আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন” শুধু তা-ই নয় চট্টগ্রামের আলহাজ্ব সামশুল হক ফাউন্ডেশন ইহা একটি মানবিক সংগঠন এই সংগঠনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন একজন মানবিক মানুষ যেখানে সাধারণ মানুষ কষ্ট পাই সেইখানে তিনি খাদ্য সামগ্রী এবং চিকিৎসা সামগ্রী বিশুদ্ধ পানি নিয়ে ছুটে চলেন এই মানবিক আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন আমি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি যেন এই প্রতিষ্ঠানকে হাজার বছর টিকিয়ে রাখেন এবং প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের দীর্ঘায়ু কামনা করেন।