বান্দরবান জেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর এএসএম আবদুচ ছালাম আজাদ বলেছেন- ২৮শে অক্টোবর ঢাকায় জামাত শিবিরের নেতা কর্মীদের লগি বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে নিহতদের লাশের উপর আওয়ামী হায়েনারা নিত্য করেছিলো।
তখন থেকে বাংলাদেশ পরাধিন হয়েছিলো। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ থেকে জাতিকে মুক্ত করেছে। দেশের মানুষকে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের জন্য একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হবে।
এসময় জামায়াত ইসলামীর পতাকাতলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহŸান জানান তিনি।
আওয়ামীলীগ লগি-বৈঠার হিং¯্র তান্ডবে রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর ২০০৬ স্মরণে গণ জামায়েত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন।
সোমবার বিকালে বান্দরবান প্রেসক্লাব সংলগ্ন শহীদ আবু সাঈদ মুক্ত মঞ্চে এই গণ জমায়েতের আয়োজন করে জেলা জামায়াত ইসলামীসহ সহযোগী সংগঠনগুলো। দীর্ঘ ১৬বছর পর পাহাড়ী এই জেলায় জামায়াতের বিশাল গণ জমায়েত অনুষ্ঠিত হলো।
এই গণজমায়েতকে কেন্দ্র করে শহর এলাকা মিছিলে মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠে। এর আগে মিছিল সহকারে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে নেতাকর্মীরা সমাবেশ যোগ দেন।
গণ জমায়েতে বক্তব্য রাখেন, জেলা সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আবুল কালাম, সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা আবদুল আওয়াল, অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা তাজ, জেলা তরবিয়ত সেক্রেটারী অধ্যাপক হামেদ হাসান, জেলা বায়তুলমাল সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ রেজাউল করিম, আইনজীবি ইউনিট সভাপতি এড. আবু তালেব, এড. শাহনেওয়াজ চৌধুরী, জেলা অফিস সেক্রেটারী আশরাফুল ইসলাম, জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি কলিম উল্লাহ, বদিউল আলম, রোয়াংছড়ি উপজেলা সভাপতি এড. শাহাদাত হোসাইন, জেলা শ্রম বিভাগ সেক্রেটারী তৌফিকুল ইসলাম, ছাত্রশিবির জেলা সেক্রেটারী মো: শামসুদ্দিন , মাওলানা হারুনুর রশিদ, সদর উপজেলা সেক্রেটারী এড. সোলাইমান, পৌর সহকারী সেক্রেটারী সাংবাদিক ওবায়দুল হক, জেলা শ্রম বিভাগ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, অর্থ সম্পাদক করিম জামি।
এদিকে ২৮ অক্টোবরকে কেন্দ্র করে বান্দরবানের প্রতিটি উপজেলায় পৃথকভাবে নানা কর্মসূচী ও গণজমায়েত পালন করছে জামায়াত ইসলামী।
……………………..